বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
দুই মাদক কারবারিকে তাবলিগে পাঠিয়ে সুযোগ দিলেন ওসি লালমনিরহাটে তিন শতাধিক শিক্ষার্থীর রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ও সামাজিক সচেতনতা ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত এককালীন ২০ লাখ, মাসে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, কৃষকদল নেতা গ্রেপ্তার সন্ত্রাসবিরোধী মিছিলে অসুস্থ হয়ে যুবদল নেতার মৃত্যু লালমনিরহাটের মহিষখোচাঁয়  ৫৯১ মুস্তাহিক পরিবারের মাঝে, যাকাত তহবিল হস্তান্তর পরিকল্পিত সন্ত্রাসে দেশ অস্থিতিশীলের ষড়যন্ত্র, সুন্দরগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ নিখোঁজের ৪৮ ঘণ্টা পর ঝোপ থেকে ৭ বছরের ছাত্রীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার ১০ কোটি টাকার সেতুতে রডের বদলে বাঁশ দিয়ে ঢালাই ‎গাজীপুর সাংবাদিক সমিতির উদ্যোগে কাশিমপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ‘লকডাউন’ কর্মসূচির প্রতিবাদে পঞ্চগড়ে পৌর ছাত্রদলের মিছিল
কুমিল্লা থেকে অপহরণ: কক্সবাজারে মিলল যুবকের মরদেহ

কুমিল্লা থেকে অপহরণ: কক্সবাজারে মিলল যুবকের মরদেহ

নিজস্ব প্রতিবেদক: কুমিল্লা শহর থেকে অপহরণের পর মুক্তিপণ না পেয়ে সজিব হোসেন (২৬) নামের এক যুবককে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। হত্যার পর মরদেহ অ্যাম্বুলেন্সে করে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার দূরে এনে কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানী সমুদ্রসৈকতে ফেলে দেওয়া হয়।

পাঁচ দিন নিখোঁজ থাকার পর বুধবার বিকেলে ইনানী সৈকতে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে উখিয়া থানা পুলিশ।

নিহত সজিব কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার ভাউকসার গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম কামাল হোসেন।

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ১ আগস্ট ব্যক্তিগত কাজে কুমিল্লা শহরে গিয়েছিলেন সজিব। সেদিন থেকেই তাঁর মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছিল। খোঁজাখুঁজির পর পরিবার কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করে।

এর মধ্যে এক অজ্ঞাত নম্বর থেকে সজিবের বাবার মোবাইলে ফোন আসে। ফোনের অপর প্রান্ত থেকে বলা হয়, সজিব অপহৃত হয়েছে এবং তাঁকে মুক্ত করতে হলে এক লাখ টাকা মুক্তিপণ দিতে হবে।

কুমিল্লা কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহিনুল ইসলাম গণমাধ্যমে বলেন, ‘পরিবার থেকে মুক্তিপণ দিতে অস্বীকৃতি জানানো হয়। এরপর অপহরণকারীরা সজিবকে নির্যাতনের পর হত্যা করে। মরদেহ ঢেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে কক্সবাজারের ইনানী সৈকতে নিয়ে ফেলে যায়।’

তিনি জানান, বৃহস্পতিবার মোবাইল ফোন ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে তদন্তের স্বার্থে তাদের নাম-পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।

গ্রেপ্তারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে আরও কয়েকজনের নাম উঠে এসেছে। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশের এই কর্মকর্তা।

উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরিফ হোসেন বলেন, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ইনানী সৈকত থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও প্রযুক্তিগত সহায়তায় নিহতের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়।

নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com